ঢাকাশুক্রবার, ১৭ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপি কুমিল্লায় গরু জবাই করে পিকনিক করেছে: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক | সিটিজি পোস্ট
নভেম্বর ২৭, ২০২২ ৮:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি যদি জনগণের জীবনযাত্রার ব্যত্যয় সৃষ্টি করে। ঢাকা শহরে ব্যস্ততম সড়ক বন্ধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়। তাহলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হাছান মাহমুদ। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।\

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গতকাল বিএনপি কুমিল্লায় সমাবেশ করেছে। আপনারা হয়তো জানেন, শতাধিক গরু জবাই করে তারা একটি বড় পিকনিক করেছে কুমিল্লায়।

পিকনিকের আয়োজন এমন যে, আগের রাতে অনেক মানুষ ছিল পরের দিন অনেকেই চলে গেছে। কুমিল্লার জনসভায় মির্জা ফখরুল অনেক কথা বলেছেন। তিনি এই কথাও বলেছেন যে সরকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলেছে কিন্তু তারা নাকি নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়।’

ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি, ঢাকা শহরে অগ্নিসন্ত্রাসীরা লুকিয়ে আছে, ঘাপটি মেরে বসে আছে। সভা উপলক্ষে তারা ধীরে ধীরে আবার বের হওয়ার চেষ্টা করছে। বিএনপির যেসব নেতা বড় গলায় কথা বলছেন, তাঁরা এই অগ্নিসন্ত্রাসের অর্থদাতা, মদদদাতা, হুকুমদাতা। প্রয়োজনে সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার কাউকে জনজীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার এবং গন্ডগোল করার সুযোগ দিতে পারে না। সৎ উদ্দেশ্যেই সরকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। কিন্তু বিএনপি একটি হীন ও অসৎ উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনে সভা করতে চায়। নয়াপল্টনের সামনে কোনো মাঠ নেই, সেটি ঢাকা শহরের ব্যস্ততম বড় রাস্তা। সেই রাস্তা বন্ধ করে জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে কেন তারা সেখানে সভা করতে চায়! তাদের পুলিশের পক্ষ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়ার কথা প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে, এরপরও মির্জা ফখরুল অসৎ উদ্দেশ্যে এসব কথাবার্তা বলছেন।’

এর আগে সিরডাপ মিলনায়তনে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডরপ) আয়োজিত ‘প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের আগেই তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনের অঙ্গীকার’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বক্তৃতা দেন তথ্যমন্ত্রী।

সেমিনারে তামাক রোধে ছয়টি প্রস্তাব তুলে ধরে ডরপ। সেগুলো হলো নির্ধারিত এলাকা বিলুপ্তি; বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্য প্রদর্শন বন্ধ; তামাকজাত কোম্পানির সিএসআর বন্ধ; তামাকপণ্য প্যাকেটে সতর্কবার্তার আকার বৃদ্ধি; খুচরা শলাকা বিক্রি নিষিদ্ধ এবং ই-সিগারেট ও হিটেড তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করা।

এ সময় হাছান মাহমুদ বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তামাকজাত পণ্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন পরিমার্জন করে সময়োপযোগী করার উদ্যোগের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান তিনি। প্রস্তাবগুলো পরিমার্জিত আইনের খসড়ায় অন্তর্ভুক্তির জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়ার পরামর্শ দেন তথ্যমন্ত্রী।